আজ মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭, ০৪:০৭ অপরাহ্ন logo

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন

এস এম তুষারের পথচলা

মিডিয়ার বহুমুখী প্রতিভা এস এম তুষার। তিনি একাধারে ভিডিও এডিটর, গায়ক, কম্পোজার,মডেল ও পরিচালক। বর্তমান ব্যস্ততাসহ নানা বিষয় নিয়ে তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সামসুল হুদা-

আপনিতো অনেক গুনের অধিকারী। কোন গুনটিকে বেশি প্রধান্য দেন?

গায়ক, কম্পোজার ও পরিচালক হিসেবে কাজ করলেও আমি আসলে ভিডিও এডিটর হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসি। এ কাজটিকেই আমি বেশী প্র্রধান্য দিয়ে থাকি।

মিডিয়ায় এলেন কি ভাবে?

ছোট বেলা থেকে মিডিয়ায় কাজের স্বপ্ন ছিল। ছোটবেলা থেকে ভাবতাম নায়ক হবো, আমাকে সকলে চিনবে এই চিন্তা ভাবনা নিয়ে বেড়ে উঠা । তারপর ফটোশুট করে বিভিন্ন এ্যাড র্ফামে ছবি জমা দিই। এভাবে বিভিন্ন জায়গায় ছবি জমা দিতে দিতে একটা সময় ভাবলাম যে, আমার আর কিছু হবে না। তারপর গার্মেন্টস লাইনে চলে যাই। সেখান থেকে একটি মিডিয়া হাউজের লোকের সঙ্গে পরিচয় হয়। তার মাধ্যমেই মিডিয়ায় পথচলা শুরু।

ভিডিও এডিটর হিসেবে কাজ করেন কবে থেকে?

২০১১ সালে থেকে আমি একটি নাটকের হাউজে ভিডিও এডিটর হিসাবে কাজ করা শুরু করি। ২০১২ সালের শুরু থেকে চ্যানেল ‘সিক্সটিন’র চিপ এডিটর হিসেবে কাজ করি। সেখান থেকে সিডি চয়েসের ভিডিও এডিটর হিসাবে যোগদান করি। বর্তমানে এ হাউজে ভিডিও এডিটর ও পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছি।পাশাপাশি আমার নিজের "Skull Production" হাউজ পরিচালনা করছি। আসলে গান ও কম্পোজিশন করি শখের বশে ।

বর্তমান ব্যস্ততা নিয়ে বলেন?

বর্তমানে আমার সম্পাদনায় মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের জন্য নির্মিত নাটক “যদি মনে পড়ে যায়”, শর্ট-ফিল্ম “একটি অসমাপ্ত প্রেম কাহিনী” এবং আমার "Skull Production" এর বেশ কিছু মিউজিক ভিডিও নির্মাণ নিয়ে ব্যস্ত আছি।

আগামীর ভাবনা কি?

আগামীর ভাবনা ফিল্ম বানাবো। যে ফিল্ম দেখে বাচ্চারা বলবে এটা বাচ্চাদের ফিল্ম, যুবক-যুবতীরা দেখে বলবে এটা তাদের ফিল্ম,এমন কি বৃদ্ধারাও দেখে বলবে এটা তাদের ফিল্ম । এমন কিছু করবো যা দেখে মানুষ বুঝতে পারে যে এই ফিল্মে কোন কিছুর ঘাটতি নেই। চেষ্ট করবো দর্শকদের ভালো কিছু উপহার দিতে।

আপনার জীবনের লূকায়িত ঘটনা বলেন?

আসলে আমি ড্যান্স ডিরেক্টর ছিলাম। ময়মনসিংহে আমার ড্যান্স একাডেমী ছিল। যা অনেকেই জানতো না।

আপনার উল্লেখযোগ্য কাজের কথা বলেন?

আমার উল্লেযোগ্য কাজের মধ্যে আমার পরিচালনায় তৌসিফের “আমারে ছাড়িয়া”, “দূরে কোথায়ও ২”, “বৃষ্টি ঝরে যায় ২” , মিলনের “জানে জিগার” , আনিসা ও ইমরানের “ভালোবাসা এমনি”, আরেফিন রুমির “ওরে প্রিয়া” ও “মন মানেনা”, জীবন খানের “পরানে বেধে পরানে”, কাজী শুভ ও রিমার “জীবনের খেয়া ঘাঁটে” ও হেমার “মধুমালতী” ইত্যাদি

নির্মাতা হিসেবে কোন কাজগুলোকে আপনার বড় প্রাপ্তি বলে মনে করেন?

আমি যখন মিডিয়াতে আসি,তখন আমার পছন্দের মধ্যে অন্যতম গান ছিল তৌসিফের দূরে কোথায়ও,বৃষ্টি ঝরে যায় এবং কাজী শুভের মন পাঁজর। কখনো ভাবতে পারিনি আমি আমার পছন্দের গানগুলোর সিকুয়েল আমিই নির্মাণ করবো। আমার পছন্দের গানের সিকুয়েলগুলো নির্মাণ করা আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া ।

ঈদের পরিকল্পনা?

চাঁদরাত পর্যন্ত কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবো। পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঈদ ঢাকাতেই করবো। ঈদের দিন সকালে ঈদের নামাজ পড়ে কোরবানি দিব। আর সময় পেলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘুরতে বের হবো।