আজ সোমবার, ২৬ Jun ২০১৭, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন logo

শুক্রবার, ০২ Jun ২০১৭, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন

ভেজাল খাদ্য সম্পর্কে সাবধান!

নিউজডেস্ক

 

জনতার নিউজ২৪ ডটকম :

রমজান উপলক্ষে রাস্তার পাশে বুট, বড়া, পেঁয়াজু, আলুর চপ, টিকিয়া, বুন্দিয়া, জিলাপি ইত্যাদি খাবারের পসরা বসেছে। খাবারগুলো নজর কাড়ছে সবার। কিন্তু ভালো-মন্দ বিচার করছেন না অনেকেই।

একবারও ভাবছেন না খাবারগুলো স্বাস্থ্যসম্মত কিনা। রাস্তার পাশে, হোটেল-রেস্তোরাঁয় বেশিরভাগ খাবারই অস্বাস্থ্যকর। ভালো পরিবেশে খাবার তৈরি হয় না। এতে আটা, ময়দা, বেসন, ডিম, তেলসহ যত উপকরণ ব্যবহার করা হয়, তার প্রায় সবই ভেজালে পূর্ণ।

একই তেল বারবার গরম করা হয়। এতে পলিনিউক্লিলিয়ার হাইড্রোকার্বন তৈরি হয়, যার মধ্যে থাকে বেনজোপাইরিন। এটি ক্যান্সার সৃষ্টি করে। খাবারে বিশুদ্ধ পানি নয়, সরাসরি ওয়াসার পানি দেয়া হয়।

কৃত্রিম রং দিয়ে খাবারের অবয়ব সুন্দর করা হয়। এই রং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। ইফতারিতে ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া উচিত নয়। ফল-মূল খাওয়া যেতে পারে। ইতিপূর্বে বিএসটিআই ফলের ১৯২টি নমুনা পরীক্ষা করেছে।

সেখানে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থের উপাদান অনেক কম পাওয়া গেছে। বিশেষ করে গতবারের চেয়ে অনেক কম। এখন ফলের মাস জ্যৈষ্ঠ চলছে। ফল খাওয়ার এখনই ভালো সময়।

সড়কের পাশে ভ্যানে শরবত বিক্রি হয়। টকটকে রং। বেলের শরবত, লেবুর শরবত। শরবতে যে বরফ দেয়া হয় তা বিশুদ্ধ পানি দিয়ে তৈরি হয় না।

মাছে যে বরফ ব্যবহার করা হয়- নোংরা পানিতে তৈরি- সেটাই শরবত বিক্রেতারা কিনে আনে। বরফ বিক্রেতারাই এমন তথ্য জানিয়েছেন। রমজানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসে। তবে তা সংখ্যায় খুবই কম। আদালতের সংখ্যা বাড়াতে হবে।

নকল-ভেজাল খাবার তৈরির কারখানা সিলগালা করে দিতে হবে। পরে তারা যাতে আবার ব্যবসা শুরু করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।

অর্থাৎ একেবারে বন্ধ করে দিতে হবে। খাদ্যে সব ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ পরীক্ষার সক্ষমতা বিএসটিআইয়ের নেই। তাই বিএসটিআইয়ের সক্ষমতা বাড়ানো সময়ের দাবি।

সচেতনতার শুরুটা হতে হবে আপনাকে-আমাকে দিয়েই। খাবার আগে একটুখানি ভেবে নিলেই হয়। ভেজাল খাবার যারা বিক্রি করে, তারা দেশ ও জাতির শুত্রু। এদের খবর ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে পৌঁছে দেয়া নাগরিক কর্তব্য। সচেতন নাগরিক হিসেবে এ কর্তব্য পালন করা প্রত্যেকের দায়িত্ব।