আজ সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৭, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন logo

শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭, ১১:২৫ অপরাহ্ন

রাজাপুরে স্কুল শিক্ষকের অবসর ভাতা পেতে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককে লিগ্যাল নোটিশ

আঃ রহিম রেজা
রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি:
ঝালকাঠির রাজাপুরে আঙ্গারিয়া পঞ্চগ্রাম নিম্ম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অবসর নেয়ার দীর্ঘদিন কেটে গেলেও গোলাম ফরুক নামে এক প্রধান শিক্ষক স্কুল কতৃপক্ষের চরম অসহযোগিতায় জীবনের শেষ সম্বল শিক্ষক অবসর ভাতা উত্তোলন করতে পারছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে এখন চরম দারিদ্রতা আর অনিশ্চয়তায় দিন পাড় করছেন। এ ব্যাপারে অসবরপ্রাপ্ত ওই শিক্ষকের পক্ষে তার আইনজীবী মো. মিজানুর রহমান গত ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে আঙ্গারিয়া পঞ্চগ্রাম নিম্ম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহ জাহান খানকে কারণ দর্শানোর জন্য নোটিশ করেছেন। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই শিক্ষকের পাওনা অবসর ভাতা উত্তোলনে নোটিশ গৃহীতা কোনরূপ বিলভাতা প্রস্তুত পূর্বক এতে স্বাক্ষর করছেন না। আর এতে ওই শিক্ষক তার পাওনা অবসর ভাতা উত্তোলন করতে পারছে না। অসরের টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে নোটিশ গৃহীতারা শিক্ষকের কাছে বে-আইনী সুবিধা দাবী করছেন বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। নোটিশ প্রাপ্তির ৭দিনের মধ্যে শিক্ষকের অবসর ভাতা উত্তোলনের ব্যপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে কথা বলা হয়। তবে আইনজীবী মিজানুর রহমান জানান, নোটিশ প্রদানের প্রায় দুই মাস কেটে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ বা আইনী জবাব দেয়নি লিগ্যাল নোটিশ গৃহীতা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও স্কুল কমিটির সভাপতি। এদিকে অবসর নেয়া শিক্ষক এমডি গোলাম ফারুক জানান, তিনি ওই স্কুল থেকে চাকরির শেষ দিন পাড় করেন। অবসর নেয়ার পর বহুবার তিনি স্কুল কতৃপক্ষকে অনুরোধ করলেও তার অবসর ভাতা উত্তোলনে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয় নি। দরিদ্র স্কুল শিক্ষকের শেষ সম্বল অবসর ভাতা তার জীবদ্দশায় উত্তোলন করা যাবে কীনা তা নিয়ে শংকায় দিন কাটছে। অবসরের পর সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে। গোলাম ফারুক এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে আঙ্গারিয়া পঞ্চগ্রাম নিম্ম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, গোলাম ফারুক চাকুরিরত অবস্থায় কর্মে অনিয়ম ও অসাদাচারনের কারনে ৭ মাস চাকুরিচ্যুত ছিলো, তখন তার বেতন বন্ধ ছিল। এসব বিষয়ে তিনি মামলা করেন এবং পরবর্তীতে তিনি অবসরে গেলেও স্কুলের অনেক কাগজপত্র তার কাছে রয়ে গেছে। এসব জটিলতায় তিনি তার অবসর ভাতাও পাচ্ছেন না। একজন অবসরপ্রাপ্ত তার ভাতা পাক সেটা বর্তমান প্রধান শিক্ষকও চান বলেও জানান তিনি।