আজ বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৭, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন logo

সোমবার, ১৫ মে ২০১৭, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন

হাতের নাগালে মৃত্যুঝুঁকি

নিউজডেস্ক

 

জনতার নিউজ২৪ ডটকম :

ব্যস্ত সড়কের পাশে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার। মাটি থেকে মাত্র তিন ফুট উঁচুতে তুলে স্থাপন করা হয়েছে। অরক্ষিত ট্রান্সফরমারটি ওই সড়ক দিয়ে চলাচল করা শিক্ষার্থী ও পথচারীদের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ঠাকুরগাঁও-বালিয়াডাঙ্গী ব্যস্ত সড়ক ঘেঁষে মথুরাপুর এলাকার রহিমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয়ের পাশে ট্রান্সফরমারটির অবস্থান। এই ট্রান্সফরমারে সংযোগ উন্মুক্ত অবস্থায় খোলা তারের মাধ্যমে নেওয়া। ট্রান্সফরমারটির পাশে ইউপি ভবন ছাড়াও রয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চবিদ্যালয়, কলেজ, একটি ময়দার মিলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এ কারণে ওই সড়ক দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ এলাকার লোকজন নিয়মিত যাতায়াত করে।
গত মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় ফুট তিনেক উচ্চতায় স্থাপন করা ট্রান্সফরমারটির কাছে একদল শিশু শিক্ষার্থী ছোটাছুটি করছে। তা দেখে আহসান আলী নামের এক পথচারী শিশুদের সতর্ক করতেই ওরা ছুটে চলে আসে সড়কের ওপর। এ সময় আহসান বলেন, বাচ্চাগুলো বিপজ্জনক ট্রান্সফরমারটির কাছে ঘোরাফেরা করছে। ট্রান্সফরমারটির কারণে ওরা যেকোনো সময় বিপদে পড়তে পারে।
ওই শিশুরা জানায়, ওরা বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল। ওদের মধ্যে একজন ক্রিকেট বল জঙ্গলে ছুড়ে মারে। বলটি খুঁজতেই ওরা ছুটে গিয়েছিল ওইখানে। শিশুদের একজন মথুরাপুর-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদি হাসান। সে বলে, ওরা খেয়ালই করেনি এখানে এত বৈদ্যুতিক তার রয়েছে।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নার্গিস নাহার বলেন, ‘শিশু শিক্ষার্থীরা ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। এ নিয়ে আমরা সারাক্ষণ ভয়ে থাকি।’
ঠাকুরগাঁও বিদ্যুৎ বিপণন ও বিতরণ শাখা সূত্র জানায়, ট্রান্সফরমার বসানোর আলাদা বিধি রয়েছে। এ বিধি মোতাবেক যে খুঁটিতে ট্রান্সফরমার বসানো হবে, সেই খুঁটির নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। ট্রান্সফরমারটি জনগণের নাগালের বাইরে নিরাপদ স্থানে স্থাপন করতে হবে।
রহিমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হাসান আবদুল হান্নান বলেন, দীর্ঘদিন ট্রান্সফরমারটি এভাবে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। এটির পাশ দিয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের যাতায়াত থাকায় যেকোনো সময় তা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ঠাকুরগাঁও কার্যালয়ের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী অরুণাংশু চন্দ্র সেন বলেন, কী কারণে এটি এত কম উচ্চতায় স্থাপন করা হয়েছে, সেটি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।