আজ বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৭, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন logo

সোমবার, ১৯ Jun ২০১৭, ০৫:১৩ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগেই ভ্যাট সমস্যার সমাধান

 

 

জনতার নিউজ২৪ ডটকম : অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগেই ভ্যাট সংকটের অবসান হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যাংক আমানতের ওপর আরোপিত আবগারি শুল্কের হারও কমানো হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে গ্রাহকের আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। সরকারি দলের সদস্যরাও বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অসন্তুষ্ট হয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। তিনি অর্থমন্ত্রীকে ডেকে সরাসরি বলে দিয়েছেন, দেশের মানুষের কষ্ট বাড়ে তেমন কোনো উদ্যোগ তিনি বাজেটে দেখতে চান না। সূত্র মতে, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকার জনকল্যাণে কাজ করছে এটা জনগণকে বোঝাতে হবে কাজের মাধ্যমেই। অর্থমন্ত্রীকে তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় রাজস্ব আদায় করতে হবে। ভ্যাট বাড়াতে হবে। কর এবং করজাল বিস্তৃত করতে হবে। কিন্তু জনগণের ভোগান্তি হতে পারে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। ১৫ শতাংশ ভ্যাটের বোঝা সরাসরি জনগণের ঘাড়ে চাপালে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হবেন। যার প্রভাব পড়বে আগামী নির্বাচনে। ফলে এই হার কমিয়ে আনতে হবে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বলেছেন, ভ্যাটের কারণে জনগণের যাতে কোনো ভোগান্তি না হয়, সে জন্য দ্রুত পথ খুঁজে বের করুন। ঈদের আগেই জনগণকে এ সুখবর দিতে চান তিনি। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ভ্যাটের হার শেষ পর্যন্ত ১২ শতাংশ নির্ধারণ করা হতে পারে। একইভাবে কমানো হতে পারে ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্কের হার। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জনভোগান্তির কথা মাথায় রেখে গত সপ্তাহে সুইডেন যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী ১৫ শতাংশ ভ্যাট হার বিতর্কের সমাধান করতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে নির্দেশনা দেন। এক্ষেত্রে অর্থবিভাগ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে আলোচনা করে ঈদুল ফিতরের আগেই এর সমাধানের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নতুন আইন অনুযায়ী ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায়ের মাধ্যমে আগামী বছর অতিরিক্ত ১৭ হাজার কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করেছে এনবিআর। প্রস্তাবিত ভ্যাটের হার কমিয়ে সে অর্থের বিকল্প উৎস খুঁজে বের করারও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। আজ সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকেও এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে অর্থবিভাগ সূত্রে জানা গেছে। অর্থবিভাগ সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদে বাজেট পেশের আগে গণভবনে বাজেট বিষয়ক একাধিক সভায় অর্থমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, পুরো বাজেট যেন হয় কল্যাণকর। জনহিতকর। নতুন ভ্যাট আইন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশনাও দিয়েছিলেন। সরকারের শীর্ষ পর্যায় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে কোনোভাবেই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে চায় না। তবে ওই আলোচনায় বাজেটের ঘাটতি কমাতে এবং অধিক রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন আইনে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কার্যকরের পক্ষেই ছিলেন অর্থমন্ত্রী। শেষ পর্যন্ত এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা এবং বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বাজেট আলোচনায় সরকারি দলের সংসদ এমনকি মন্ত্রীরাও অর্থমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে রাজনৈতিক অর্থনীতির অংশ হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী ভ্যাট ও আবগারি শুল্ক সংক্রান্ত এই চলমান সংকটের সমাধানে উদ্যোগী হয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাজেট হতে হবে জনকল্যাণের জন্য। শুধু বাজেটের আকার বাড়িয়ে আর করের বোঝা চাপিয়ে জনগণকে চাপে ফেলার মতো সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাবে না। প্রস্তাবিত বাজেটের বিতর্কিত বিষয়গুলোর সমাধান হতে হবে এ বাজেট পাসের আগেই।

গত ১ জুন বাজেট প্রস্তাবের পর থেকেই জাতীয় সংসদ এবং সংসদের বাইরেও এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। সর্বশেষ গত শনিবার সিপিডির এক সংলাপে অর্থনীতিবিদ, সাবেক আমলা এবং সরকারি ও বিরোধী দলীয় একাধিক রাজনীতিবিদ ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও আবগারি শুল্ক আরোপের ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করেন। শুধু তাই নয় এশিয়ার কোনো দেশে এত উচ্চ হারে ভ্যাট কার্যকর নেই বলে সংলাপে জানানো হয়। বর্তমান আইনে সাড়ে ৪ শতাংশ ভ্যাট কার্যকর রয়েছে। নতুন আইনে বর্ধিত এই ভ্যাট হার এবং আবগারি শুল্ক জনজীবনে সংকট তৈরি করবে। মূল্যস্ফীতির চাপকে উস্কে দেবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগেই ভ্যাট সংকটের অবসান হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যাংক আমানতের ওপর আরোপিত আবগারি শুল্কের হারও কমানো হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে গ্রাহকের আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। সরকারি দলের সদস্যরাও বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অসন্তুষ্ট হয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। তিনি অর্থমন্ত্রীকে ডেকে সরাসরি বলে দিয়েছেন, দেশের মানুষের কষ্ট বাড়ে তেমন কোনো উদ্যোগ তিনি বাজেটে দেখতে চান না। সূত্র মতে, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকার জনকল্যাণে কাজ করছে এটা জনগণকে বোঝাতে হবে কাজের মাধ্যমেই। অর্থমন্ত্রীকে তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় রাজস্ব আদায় করতে হবে। ভ্যাট বাড়াতে হবে। কর এবং করজাল বিস্তৃত করতে হবে। কিন্তু জনগণের ভোগান্তি হতে পারে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। ১৫ শতাংশ ভ্যাটের বোঝা সরাসরি জনগণের ঘাড়ে চাপালে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হবেন। যার প্রভাব পড়বে আগামী নির্বাচনে। ফলে এই হার কমিয়ে আনতে হবে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বলেছেন, ভ্যাটের কারণে জনগণের যাতে কোনো ভোগান্তি না হয়, সে জন্য দ্রুত পথ খুঁজে বের করুন। ঈদের আগেই জনগণকে এ সুখবর দিতে চান তিনি। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ভ্যাটের হার শেষ পর্যন্ত ১২ শতাংশ নির্ধারণ করা হতে পারে। একইভাবে কমানো হতে পারে ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্কের হার। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জনভোগান্তির কথা মাথায় রেখে গত সপ্তাহে সুইডেন যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী ১৫ শতাংশ ভ্যাট হার বিতর্কের সমাধান করতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে নির্দেশনা দেন। এক্ষেত্রে অর্থবিভাগ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে আলোচনা করে ঈদুল ফিতরের আগেই এর সমাধানের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নতুন আইন অনুযায়ী ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায়ের মাধ্যমে আগামী বছর অতিরিক্ত ১৭ হাজার কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করেছে এনবিআর। প্রস্তাবিত ভ্যাটের হার কমিয়ে সে অর্থের বিকল্প উৎস খুঁজে বের করারও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। আজ সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকেও এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে অর্থবিভাগ সূত্রে জানা গেছে। অর্থবিভাগ সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদে বাজেট পেশের আগে গণভবনে বাজেট বিষয়ক একাধিক সভায় অর্থমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, পুরো বাজেট যেন হয় কল্যাণকর। জনহিতকর। নতুন ভ্যাট আইন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশনাও দিয়েছিলেন। সরকারের শীর্ষ পর্যায় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে কোনোভাবেই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে চায় না। তবে ওই আলোচনায় বাজেটের ঘাটতি কমাতে এবং অধিক রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন আইনে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কার্যকরের পক্ষেই ছিলেন অর্থমন্ত্রী। শেষ পর্যন্ত এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা এবং বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বাজেট আলোচনায় সরকারি দলের সংসদ এমনকি মন্ত্রীরাও অর্থমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে রাজনৈতিক অর্থনীতির অংশ হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী ভ্যাট ও আবগারি শুল্ক সংক্রান্ত এই চলমান সংকটের সমাধানে উদ্যোগী হয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাজেট হতে হবে জনকল্যাণের জন্য। শুধু বাজেটের আকার বাড়িয়ে আর করের বোঝা চাপিয়ে জনগণকে চাপে ফেলার মতো সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাবে না। প্রস্তাবিত বাজেটের বিতর্কিত বিষয়গুলোর সমাধান হতে হবে এ বাজেট পাসের আগেই।

গত ১ জুন বাজেট প্রস্তাবের পর থেকেই জাতীয় সংসদ এবং সংসদের বাইরেও এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। সর্বশেষ গত শনিবার সিপিডির এক সংলাপে অর্থনীতিবিদ, সাবেক আমলা এবং সরকারি ও বিরোধী দলীয় একাধিক রাজনীতিবিদ ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও আবগারি শুল্ক আরোপের ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করেন। শুধু তাই নয় এশিয়ার কোনো দেশে এত উচ্চ হারে ভ্যাট কার্যকর নেই বলে সংলাপে জানানো হয়। বর্তমান আইনে সাড়ে ৪ শতাংশ ভ্যাট কার্যকর রয়েছে। নতুন আইনে বর্ধিত এই ভ্যাট হার এবং আবগারি শুল্ক জনজীবনে সংকট তৈরি করবে। মূল্যস্ফীতির চাপকে উস্কে দেবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

- See more at: http://www.bd-pratidin.com/first-page/2017/06/19/241197#sthash.wgo01LKs.dpuf