আজ মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন logo

মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০১৭, ০৪:১৩ অপরাহ্ন

কান্না থামছেই না রাম রহিমের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

 

জনতার নিউজ২৪ ডটকম :দশ দশ বিশ বছরের সাজা হওয়ার পর থেকে কান্না থামছেই না রাম রহিমের। দুই শিষ্যাকে ধর্ষণের অপরাধে বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংকে গতকাল সোমবার ১০ বছর করে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর থেকেই ভেঙে পড়েছেন রাম রহিম।

সরকারের তদন্ত সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (সিবিআই) বিশেষ বিচারক জগদীপ সিং এই রায় দেন। রাম রহিমকে দুই মামলায় ১৫ লাখ করে ৩০ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে।

রায়ের পর আদালতে একেবারে ভেঙে পড়েন রাম রহিম। তিনি বলতে থাকেন, ‘আমি নির্দোষ। আমাকে ক্ষমা করুন।’

হরিয়ানার সানোরিয়া কারাগারে বন্দী রাম রহিম। কয়েদি হিসেবে তাঁর নম্বর ১৯৯৭। সাজা ঘোষণার পর রাম রহিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এরপর ঝকমকে পোশাক বদলে তাঁকে কয়েদিদের সাধারণ পোশাক পরানো হয়। ছোট একটি কারাকক্ষে একা রাখা হয়েছে তাঁকে।

কারাবাসী একজন এনডিটিভিতে জানান, সাজা ঘোষণার পর কয়েকজন মিলে চেষ্টা চালানোর পরও রাম রহিমকে কারাকক্ষে নেওয়া যাচ্ছিল না।

কারা সূত্র জানায়, কারা কর্তৃপক্ষ বলেছে, নিরাপত্তার কারণেই রাম রহিমকে আলাদা কারাকক্ষে রাখা হয়েছে। রাম রহিমের আইনজীবী জানান, স্বাস্থ্যগত কারণে তাঁর সঙ্গে কয়েকজন অনুচর থাকবেন। ৫০ বছরের রাম রহিম মাইগ্রেন ও পিঠব্যথায় আক্রান্ত।

রাম রহিমের ভিআইপি কারাকক্ষে জ্যেষ্ঠ দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হয়েছে। তাঁর কারাকক্ষের কাছে আরও দুই নিরাপত্তাকর্মী রাখা হয়েছে।

রাম রহিমের কারাকক্ষে সহজে প্রশাসনের প্রবেশাধিকার রয়েছে। এই কারাকক্ষগুলোতে কড়া নিরাপত্তা দেওয়া হয়।

কারাগারের এক নিবাসী গত শুক্রবার বলেন, রাম রহিম কোনো শক্ত খাবার খাননি। তিনি দুধ ও পানি পান করেছেন। কারাগারে তিনি কারও সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

শুক্রবার রাম রহিমকে অপরাধী সাব্যস্ত করেন আদালত। এরপর উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও দিল্লিতে তাণ্ডব চালান তাঁর ভক্তরা। সহিংসতায় প্রাণ হারান ৩৮ ব্যক্তি। আহত কমপক্ষে ২৫০ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েন করা হয়।

সাজা ঘোষণার পর পরিস্থিতি যাতে বিগড়ে না যায়, এ জন্য গতকাল নিরাপত্তা বাহিনী সজাগ ছিল। বিচারপতি জগদীপ সিং চণ্ডীগড়ের পাঁচকুলা আদালতে শাস্তি ঘোষণা করেননি। হরিয়ানার সানোরিয়া কারাগারে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানে রাম রহিমকে রাখা হয়েছে। কারাগারেই বসেন বিশেষ আদালত। বেলা আড়াইটার দিকে বাদী ও বিবাদীপক্ষের আইনজীবীদের ১০ মিনিট করে সময় দেন বিচারক। বেলা সাড়ে তিনটায় তিনি শাস্তি ঘোষণা করেন।

দশ দশ বিশ বছরের সাজা হওয়ার পর থেকে কান্না থামছেই না রাম রহিমের। দুই শিষ্যাকে ধর্ষণের অপরাধে বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংকে গতকাল সোমবার ১০ বছর করে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর থেকেই ভেঙে পড়েছেন রাম রহিম।

সরকারের তদন্ত সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (সিবিআই) বিশেষ বিচারক জগদীপ সিং এই রায় দেন। রাম রহিমকে দুই মামলায় ১৫ লাখ করে ৩০ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে।

রায়ের পর আদালতে একেবারে ভেঙে পড়েন রাম রহিম। তিনি বলতে থাকেন, ‘আমি নির্দোষ। আমাকে ক্ষমা করুন।’

হরিয়ানার সানোরিয়া কারাগারে বন্দী রাম রহিম। কয়েদি হিসেবে তাঁর নম্বর ১৯৯৭। সাজা ঘোষণার পর রাম রহিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এরপর ঝকমকে পোশাক বদলে তাঁকে কয়েদিদের সাধারণ পোশাক পরানো হয়। ছোট একটি কারাকক্ষে একা রাখা হয়েছে তাঁকে।

কারাবাসী একজন এনডিটিভিতে জানান, সাজা ঘোষণার পর কয়েকজন মিলে চেষ্টা চালানোর পরও রাম রহিমকে কারাকক্ষে নেওয়া যাচ্ছিল না।

কারা সূত্র জানায়, কারা কর্তৃপক্ষ বলেছে, নিরাপত্তার কারণেই রাম রহিমকে আলাদা কারাকক্ষে রাখা হয়েছে। রাম রহিমের আইনজীবী জানান, স্বাস্থ্যগত কারণে তাঁর সঙ্গে কয়েকজন অনুচর থাকবেন। ৫০ বছরের রাম রহিম মাইগ্রেন ও পিঠব্যথায় আক্রান্ত।

রাম রহিমের ভিআইপি কারাকক্ষে জ্যেষ্ঠ দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হয়েছে। তাঁর কারাকক্ষের কাছে আরও দুই নিরাপত্তাকর্মী রাখা হয়েছে।

রাম রহিমের কারাকক্ষে সহজে প্রশাসনের প্রবেশাধিকার রয়েছে। এই কারাকক্ষগুলোতে কড়া নিরাপত্তা দেওয়া হয়।

কারাগারের এক নিবাসী গত শুক্রবার বলেন, রাম রহিম কোনো শক্ত খাবার খাননি। তিনি দুধ ও পানি পান করেছেন। কারাগারে তিনি কারও সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

শুক্রবার রাম রহিমকে অপরাধী সাব্যস্ত করেন আদালত। এরপর উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও দিল্লিতে তাণ্ডব চালান তাঁর ভক্তরা। সহিংসতায় প্রাণ হারান ৩৮ ব্যক্তি। আহত কমপক্ষে ২৫০ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েন করা হয়।

সাজা ঘোষণার পর পরিস্থিতি যাতে বিগড়ে না যায়, এ জন্য গতকাল নিরাপত্তা বাহিনী সজাগ ছিল। বিচারপতি জগদীপ সিং চণ্ডীগড়ের পাঁচকুলা আদালতে শাস্তি ঘোষণা করেননি। হরিয়ানার সানোরিয়া কারাগারে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানে রাম রহিমকে রাখা হয়েছে। কারাগারেই বসেন বিশেষ আদালত। বেলা আড়াইটার দিকে বাদী ও বিবাদীপক্ষের আইনজীবীদের ১০ মিনিট করে সময় দেন বিচারক। বেলা সাড়ে তিনটায় তিনি শাস্তি ঘোষণা করেন।

- See more at: http://www.dailyjanakantha.com/details/article/291001/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0#sthash.BBDYM4ji.dpuf