স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই আহমেদ শরীফের

স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই আহমেদ শরীফের

আহমেদ শরীফ। যাকে না চিনলে বাংলা চলচ্চিত্রকেই অস্বীকার হয়ে যাবেন। তুমুল জনপ্রিয় খল অভিনেতা। দুর্দান্ত এই প্রতাপশালী এই অভিনেতা বড় পর্দা যেমন দখল করে রাখতেন তেমনই দখলে রাখতেন শুক্রবারের বিটিভিকে। নায়ক হিসেবে অভিষিক্ত হলেও জনপ্রিয় হন খলনায়ক হিসেবে।

একজন বাংলাদেশী অভিনেতা। তিনি প্রায় আট শতাধিক বাংলা চলচিত্রে অভিনয় করেছেন। খলনায়ক হিসেবে সফল হলেও অনেক চলচ্চিত্রে ভিন্ন চরিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি প্রতিষ্ঠার সময়ে প্রথম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আহমেদ শরীফ, এরপর তিনি আরও দুই মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক এর এবং চার মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পারিবারিক জীবনে সহধর্মিণী মেহরুন আহমেদ  ও একটি মেয়ে আছে। চলচ্চিত্র জগতের এই পুরোটা সময়ের জন্য, কিংবা হয়তো জীবনের বড় একটি অংশ হয়ে থাকার জন্য নিজের স্ত্রীকে প্রচণ্ড রকম ভালোবাসেন এই অভিনেতা। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাধ্যমে সে কথা বলেছেন।

মঙ্গলবারও সে কথা বললেন, নিজের স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা। আহমেদ শরীফ নিজের স্ত্রীর সঙ্গে দুটি ছবি ফেসবুক হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমার সহধর্মিণী মেহরুন আহমেদ, যার প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’

আহমেদ শরীফের অভিনীত প্রথম ছবির নাম ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’। সুভাষ দত্ত পরিচালিত এ ছবিতে নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেন আহমেদ শরীফ। তবে খলনায়ক হিসেবে ১৯৭৬ সালে তিনি প্রথম অভিনয় করেন দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর পরিচালনায় ‘বন্দুক’ ছবিতে। এ ছবিটি সুপারডুপার হিট হয়। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি আহমেদ শরীফ টেলিভিশনের জন্য কিছু নাটক-টেলিফিল্ম নির্মাণ করেন।

২০০১ সালে প্রথম নির্মাণ করেন টেলিফিল্ম ‘ক্ষণিক বসন্ত’। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য তিনি নির্মাণ করেন নাটক ‘ফুল ফুটে ফুল ঝরে’।

আহমেদ শরীফ। যাকে না চিনলে বাংলা চলচ্চিত্রকেই অস্বীকার হয়ে যাবেন। তুমুল জনপ্রিয় খল অভিনেতা। দুর্দান্ত এই প্রতাপশালী এই অভিনেতা বড় পর্দা যেমন দখল করে রাখতেন তেমনই দখলে রাখতেন শুক্রবারের বিটিভিকে। নায়ক হিসেবে অভিষিক্ত হলেও জনপ্রিয় হন খলনায়ক হিসেবে।
বিনোদন